প্রবাসীদের কষ্টের স্ট্যাটাস

প্রবাসীদের কষ্টের স্ট্যাটাস

প্রবাসীদের জীবন নানা চ্যালেঞ্জে ভরা। নিজের দেশ, পরিবার, বন্ধু-বান্ধব থেকে দূরে থাকতে হয়। অনেক সময় ভাষা, সংস্কৃতি এবং পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে কষ্ট হয়। প্রবাসীরা প্রায়ই বলেন, “জীবনের তাগিদে প্রবাসে আছি, কিন্তু মনটা পড়ে আছে দেশে।” এই কষ্টের মাঝেও তারা পরিবারের জন্য কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, তাদের সুখী ও নিরাপদ রাখার জন্য।

প্রবাসীর জীবন মানেই একাকীত্বের সঙ্গী।

যাদের স্বপ্নের পেছনে দৌড়াই, তাদের কাছে নিজের কষ্টগুলো কখনোই বলি না।

বিদেশের মাটিতে হাজারো মানুষ, কিন্তু মনের কাছে কেউ নেই।

আমার জীবনের প্রতিটি দিন হলো প্রিয়জনদের ছাড়া কাটানো আরেকটি দিন।

প্রবাসে কষ্ট করে হলেও স্বপ্ন দেখি, একদিন ফিরবো আপনজনদের কাছে।

মাটির টান, মায়ের টান – দুটোই সমান, প্রবাসে থেকে এই টানগুলো আরও অনুভব করি।

ঘরে ফেরার স্বপ্নেই বেঁচে আছি, প্রবাসের মাটিতে পা জমিয়ে।

প্রবাসে থেকে আপনজনদের হাসি মুখটাই আমার বেঁচে থাকার একমাত্র প্রেরণা।

যেখানে কেউ আমার ভাষায় কথা বলে না, সেখানে আমার মন বোঝে না।

প্রবাসে থাকা মানে মায়ের হাতের রান্নার স্বাদ থেকে বঞ্চিত থাকা।

কত দিন মায়ের মুখটি দেখিনি, সেই দিনের অপেক্ষায় আছি।

জীবনের মানে নতুন করে শিখেছি, যখন একা চলতে হয়েছে।

বিদেশে থেকেও মনটা পড়ে থাকে বাংলাদেশের সেই ছোট্ট ঘরটিতে।

কষ্টের গল্পগুলো বলা যায় না, তাই নিজের মধ্যে জমিয়ে রাখি।

প্রবাসে সব আছে, শুধু নেই আপনজনের সান্নিধ্য।

ভালো থাকুক আমার দেশ, ভালো থাকুক আমার পরিবার।

নিজের দেশের মাটির গন্ধটা যেন সেরা, সেটা প্রবাসে এসে বুঝলাম।

প্রবাসে কাটানো প্রতিটি রাতই যেন নতুন এক চ্যালেঞ্জ।

প্রতিদিন প্রিয়জনদের মুখখানি মনে পড়ে, কিন্তু তাদের কাছে ফিরতে পারি না।

মায়ের হাতের রান্না, বাবার পরামর্শ, বন্ধুদের আড্ডা—সবই যেন স্বপ্ন।

কাজের ফাঁকে একটু মায়ের গলার স্বর শুনতে মন চায়।

প্রবাসে নিজের পরিচয় তৈরি করতে গিয়ে নিজের সত্ত্বা ভুলে যাই।

জীবনের সবটুকু সংগ্রাম যেন প্রিয়জনদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য।

প্রবাসে একা থাকতে থাকতে নিজেই নিজের বন্ধু হয়ে গেছি।

কতদিন হলো বাবার স্নেহের ছায়ায় বসিনি।

আকাশের তারা গুনতে গুনতে কেটে যায় প্রবাসে আমার রাত।

প্রতিদিন স্বপ্ন দেখি, একদিন ফিরে যাব নিজের মাটিতে।

প্রবাসের এই শহরগুলো যেন মন খারাপের শহর।

একদিনের জন্য হলেও মায়ের কাছে ফিরতে মন চায়।

প্রবাসে থেকেও প্রতিটি মুহূর্তে দেশকে ভালোবাসি।

বাইরে হাসি মুখে থাকলেও ভেতরে ভেতরে মনটা খারাপ থাকে।

প্রবাসের কষ্টের গল্পগুলো কেউ শোনে না।

যেখানে সব কিছু আছে, কিন্তু শান্তি নেই।

প্রতিদিন নিজেকে বলি, আরও একটু সহ্য কর, একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে।

প্রবাসের এই জীবনে কষ্টের বিনিময়ে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাই।

নিজের সুখ-দুঃখ ভুলে পরিবারের জন্য কাজ করে যাই।

দেশের মানুষের কাছে থেকে দূরে থাকতে থাকতে কখনো কখনো নিজেকেই ভুলে যাই।

যারা প্রবাসে থাকে, তাদের বুকের ভেতরেও এক আকাশ কষ্ট থাকে।

দেশের মাটি ছেড়ে আসার পর থেকে যেন প্রতিদিনই যুদ্ধ।

মাটির টান আর মায়ের টান, দুটোই সমান।

যেখানে কেউ আমার নামেও ডাকে না, সেখানে থাকি।

যত কষ্টই হোক, প্রিয়জনদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সব কিছু করতে রাজি।

বিদেশের মাটিতে পথ চলি, কিন্তু মনের ভেতর সবসময় দেশের স্মৃতি।

প্রতিদিনের কষ্টগুলো জমিয়ে রাখি, একদিন সব ঠিক হবে ভেবে।

যতই দূরে থাকি, মন পড়ে থাকে আমার দেশে।

প্রবাসী জীবনের প্রতিটি দিনই হলো প্রিয়জনদের ছাড়া কাটানো আরেকটি দিন।

নিজের ভালোবাসার মানুষদের ছেড়ে দূরে থাকতে থাকতে নিজেই কেমন যেন হয়ে গেছি।

বিদেশের মাটিতে নিজের পরিচয় তৈরি করতে গিয়ে নিজের সত্ত্বা ভুলে যাই।

একাকীত্বের জীবনেও নিজের স্বপ্নগুলোর পেছনে দৌড়াই।

কষ্টের জীবন, তবুও প্রিয়জনদের মুখে হাসি ফোটাতে চাই।

নিজের দেশের মাটির গন্ধটা যেন সেরা, সেটা প্রবাসে এসে বুঝলাম।

প্রতিদিন স্বপ্ন দেখি, একদিন ফিরবো নিজের মাটিতে।

প্রবাসে থাকা মানে মায়ের হাতের রান্নার স্বাদ থেকে বঞ্চিত থাকা।

প্রবাসে থেকেও প্রতিটি মুহূর্তে দেশকে ভালোবাসি।

কষ্টের গল্পগুলো বলা যায় না, তাই নিজের মধ্যে জমিয়ে রাখি।

প্রবাসে থেকেও মনটা পড়ে থাকে বাংলাদেশের সেই ছোট্ট ঘরটিতে।

কতদিন হলো বাবার স্নেহের ছায়ায় বসিনি।

আকাশের তারা গুনতে গুনতে কেটে যায় প্রবাসে আমার রাত।

মায়ের হাতের রান্না, বাবার পরামর্শ, বন্ধুদের আড্ডা—সবই যেন স্বপ্ন।

প্রতিদিন প্রিয়জনদের মুখখানি মনে পড়ে, কিন্তু তাদের কাছে ফিরতে পারি না।

প্রবাসে একা থাকতে থাকতে নিজেই নিজের বন্ধু হয়ে গেছি।

জীবনের সবটুকু সংগ্রাম যেন প্রিয়জনদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য।

বিদেশে থেকেও মনটা পড়ে থাকে বাংলাদেশের সেই ছোট্ট ঘরটিতে।

কষ্টের গল্পগুলো বলা যায় না, তাই নিজের মধ্যে জমিয়ে রাখি।

প্রবাসে থাকা মানে মায়ের হাতের রান্নার স্বাদ থেকে বঞ্চিত থাকা।

প্রতিদিন স্বপ্ন দেখি, একদিন ফিরবো নিজের মাটিতে।

নিজের দেশের মাটির গন্ধটা যেন সেরা, সেটা প্রবাসে এসে বুঝলাম।

কষ্টের জীবন, তবুও প্রিয়জনদের মুখে হাসি ফোটাতে চাই।

একাকীত্বের জীবনেও নিজের স্বপ্নগুলোর পেছনে দৌড়াই।

বিদেশের মাটিতে নিজের পরিচয় তৈরি করতে গিয়ে নিজের সত্ত্বা ভুলে যাই।

নিজের ভালোবাসার মানুষদের ছেড়ে দূরে থাকতে থাকতে নিজেই কেমন যেন হয়ে গেছি।

প্রবাসী জীবনের প্রতিটি দিনই হলো প্রিয়জনদের ছাড়া কাটানো আরেকটি দিন।

যতই দূরে থাকি, মন পড়ে থাকে আমার দেশে।

প্রতিদিনের কষ্টগুলো জমিয়ে রাখি, একদিন সব ঠিক হবে ভেবে।

বিদেশের মাটিতে পথ চলি, কিন্তু মনের ভেতর সবসময় দেশের স্মৃতি।

যত কষ্টই হোক, প্রিয়জনদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সব কিছু করতে রাজি।

যেখানে কেউ আমার নামেও ডাকে না, সেখানে থাকি।

মাটির টান আর মায়ের টান, দুটোই সমান।

দেশের মাটি ছেড়ে আসার পর থেকে যেন প্রতিদিনই যুদ্ধ।

যারা প্রবাসে থাকে, তাদের বুকের ভেতরেও এক আকাশ কষ্ট থাকে।

দেশের মানুষের কাছে থেকে দূরে থাকতে থাকতে কখনো কখনো নিজেকেই ভুলে যাই।

নিজের সুখ-দুঃখ ভুলে পরিবারের জন্য কাজ করে যাই।

প্রবাসের এই জীবনে কষ্টের বিনিময়ে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাই।

প্রতিদিন নিজেকে বলি, আরও একটু সহ্য কর, একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে।

যেখানে সব কিছু আছে, কিন্তু শান্তি নেই।

প্রবাসের কষ্টের গল্পগুলো কেউ শোনে না।

বাইরে হাসি মুখে থাকলেও ভেতরে ভেতরে মনটা খারাপ থাকে।

প্রবাসে থেকেও প্রতিটি মুহূর্তে দেশকে ভালোবাসি।

একদিনের জন্য হলেও মায়ের কাছে ফিরতে মন চায়।

প্রবাসের এই শহরগুলো যেন মন খারাপের শহর।

প্রতিদিন স্বপ্ন দেখি, একদিন ফিরে যাব নিজের মাটিতে।

আকাশের তারা গুনতে গুনতে কেটে যায় প্রবাসে আমার রাত।

কতদিন হলো বাবার স্নেহের ছায়ায় বসিনি।

প্রবাসে একা থাকতে থাকতে নিজেই নিজের বন্ধু হয়ে গেছি।

জীবনের সবটুকু সংগ্রাম যেন প্রিয়জনদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য।

বিদেশে থেকেও মনটা পড়ে থাকে বাংলাদেশের সেই ছোট্ট ঘরটিতে।

কষ্টের গল্পগুলো বলা যায় না, তাই নিজের মধ্যে জমিয়ে রাখি।

প্রবাসে থাকা মানে মায়ের হাতের রান্নার স্বাদ থেকে বঞ্চিত থাকা।

প্রতিদিন প্রিয়জনদের মুখখানি মনে পড়ে, কিন্তু তাদের কাছে ফিরতে পারি না।

প্রবাসে থেকেও প্রতিটি মুহূর্তে দেশকে ভালোবাসি।

এই স্ট্যাটাসগুলো প্রবাসীদের অভিজ্ঞতা ও কষ্টের প্রতিফলন হিসেবে কাজ করতে পারে। আপনি চাইলে এই স্ট্যাটাসগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও শেয়ার করতে পারেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top